Tuesday, March 21, 2017

ফুরামন পাহাড়




                                                                   ফুরামন পাহাড়

কেউ বলে ১৮০০ ফুট, জিপিএস বলে ২০০০ ফুট, যাই হোক, কথা বলছিলাম, রাঙামাটির সদরের সব থেকে বড় পাহাড় ফুরামন থেকে (Fura Mown)।
সেমিস্টার ফাইনাল এর প্যারা শেষে ভাবলাম একটু পাহাড় থেকে ঘুরে আসি। কিন্তু বান্দরবান যাবার ফুরসত ছিলনা। তাই ভাবলাম চট্টগ্রাম থেকে একদিনের ট্যুরে কোন পাহাড়ে ঘুরে আসি।বন্ধুবর মুরাদ মাহমুদ  ভাই ও ফুরামনে ট্রাকিং করার মচতকার এক প্লান নিয়ে হাজির একই সময়। বন্ধুবর কাউছার আহমেদ  ও সায় দিয়ে দিল। আমার তো পোয়া বারো।
সব ঠিকঠাক করে বি আর টি সি বাস স্ট্যান্ড থেকে রওনা দিলাম সকাল ৭টার বাসে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে।নামলাম মানিকছড়ি বাজারে । বাজারের ওপরেই ইউসুফ ভাইয়ের দোকান। হাল্কা নাস্তা সেরে সি এন জি নিলাম। ফুরামন যাব বললেই নিয়ে যাবে। ৮০-৯০ টাকা যার থেকে যেভাবে পারে নে। একেবারে পাহাড়ের গোড়ায় নামায় দিবে।।
ফ্রানক্লি বলি, যারা ট্রাকিং এ নতুন, তাদের জন্য খুব পারফেক্ট একটা প্লেস। প্রচুর খাড়াই আছে পুরা রাস্তা ধরে। একেবারে পাহাড়ের চুড়ায় আছে বৌদ্ধ মন্দির আর ভাবনা কেন্দ্র।

                                       

তবে সব থেকে সেরা ফিলিংস হচ্ছে পুরা রাঙা মাটি শহর টা কে প্রানভরে দেখতে পাবেন। দিগন্তে কাপ্তাই হ্রদের নিল চকচকে জলরাশি আর অগুনিত সবুজ পাহাড়, আর সবার উপরে আপনি।
ক্যাম্পিং করার অনুমতি নেই। বিজিবি বলেছিল সন্ধ্যার আগে ব্যাক করতে। তাই আপাতত ব্যাক করতে হয়ে ছিল। না হলে সত্যি আসতে মন চাইছিলনা এতটাই সুন্দর ফুরামন।

রুট (from Chittagong): বি আর টি সি কাউন্টার - মানিকছড়ি বাজার - ফুরামন


লেখকঃ জয় কুমার শীল

Friday, March 17, 2017

COMILLA TOUR

কুমিল্লা ভ্রমনঃ


১ দিনে ঢাকার আশেপাশে যাদের ঘোরার ইচ্ছে , পোস্টটি মূলত তাদের জন্য । সকাল ৬.৩০ বাসা থেকে বেরিয়ে সোজা পরোটার দোকানে বিল আসলো ২৫ টাকা । এর পর সোজা সুজি সায়দাবাদ বাস স্টানে । ধানমণ্ডি থেকে ভাড়া নিল ১৫ টাকা । ডানে বায়ে কোথাও না তাকিয়ে Trisha Poribohon এর দিকে দিলাম ছুট । অনেক বলে কয়ে পার পারসন ভাড়া ঠিক হলো ১৪০ করে । এর পর বাসে একটা শান্তির ঘুম । ঘুমটা জরুরি কারন এর পরেই অপেক্ষা করছে আডভ্যঞ্চার । সকাল ৮.০০ টার মধ্যে বাসে উঠতে পারলে আপনি কুমিল্লা পৌঁছে যাবেন ১০.৩০ এর মধ্যে । আপনাকে ঠিক নামতে হবে ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোডে ।
এবার হাতের বাম দিকে ১২ মিনিট হাটলেই চোখে পরবে " Maynamati War Cemetery " । এখানে শায়িত রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নিহতদের কবর । অসাধারন সুব্দর জায়গা । মনটা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে । এটি খোলা থাকে সকাল ৭.০০ - দুপুর ১১.৪৫ আবার দুপুর ২.০০ টা - বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ।


                                                         Maynamati War Cemetery

 এখানে ছেলে মেয়ে একা ঘুরা ফিরা করা নিষেধ । ১ ঘণ্টা কাটিয়ে ১২ টার দিকে রওনা দিবেন রানী ময়না মতির প্রাসাদের দিকে। ভাড়া ১০ টাকা । এটিও অনেক সুন্দর জায়গা ।
রানী ময়না মতির প্রাসাদ থেকে বের হয়ে আবার ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোডে । ভাড়া ১৫ টাকা অটো ।ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোডে কিছু খেয়ে নিবেন । চেষ্টা করবেন হালকা কিছু বাট অনেক এনার্জি আছে :) আমাদের খাবারের বিল আসছিল ৫০ টাকা করে।
কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে লেগুনাতে করে যাবেন কোট বাড়ি বিশ্ব রোডে । ভাড়া নিবে ১৫ টাকা । এখানে সি এন জি পাওয়া যায় । সেখান থেকে কোট বাড়ি বাজার । ভাড়া ১০ টাকা ।
বাজারে কাছেই ময়নামতি সেনা নিবাস । অনুমুতি নিয়ে ঘুরে দেখতে পারেন । সেনা নিবাস দেখা শেষ হলে চলে যাবেন " বার্ড " দেখতে ।
বার্ড কোন পাখির নাম নয় । বার্ড বা Bangladesh Academy for Rural Development এটা সাজনো গোছানো সুন্দর একটা অফিস যেটি বিশাল এলাকা জুরে অবস্থিত । বার্ড এ প্রবেশ করতে গেলে অনুমতি নিতে হয় । এখন কিভাবে নিবেন এই অনুমুতি । নিজের চেহারা বাচ্চা বাচ্চা ভাব করে গেট ম্যান কে বলুন আপনি ঢাকা বা অনেক দূর থেকে এসেছেন । আপনি ভিতরটা ঘুরে দেখতে চান । দুরত্তের কথা শুনেই আমাদের অনুমতি দিয়েছিল
বার্ড এর ভিতরে ঢুকেই হাতের ডান দিকের রাস্তা টা অনুসরণ করুন । ১৫ মিনিট হাটলেই নীলাচল পাহাড় পেয়ে যাবেন । এখানেই দীপু নাম্বার টু মুভির বিশাল পানির পাম্প টা আছে ।এখানে কিছুক্ষণ থেকে বেরিয়ে পরুন ।
কোট বাড়ি বাজার থেকে শালবন বিহার । সি এন জি ভাড়া ১০ টাকা । একদিকে শালবন বিহার আর অপর দিকে বৌদ্ধ মন্দির । সময় নিয়ে ২ টা স্থাপনা ঘুরে দেখন । শালবন বিহার সন্ধ্যা ৫ টায় বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রবেশ ফি ২০ টাকা ।
এত কিছু দেখে যখন আপনি ক্লান্ত তখন শালবন বিহার থেকে বের হয়ে একটু হাটলেই শালবন পাবেন । বেশি ভিতরে যাবার দরকার নেই । ১৫ সময় নিয়ে ঘুরে দেখুন ।

                                                                   শালবন বিহার
এত কিছু দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নেমে পড়বে পুরাতন অতীতের জেলার বুকে । এবার সোজা চলে যাবেন ধর্ম সাগর পারে । রাস্তা টা একটু জটিল । আমি আগে কখনো কুমিল্লা যাই নি তাই এমন হয়েছে । প্রথমে সি এন জি নিয়ে চলে যাবেন টমছম ব্রিজে । ভাড়া ১৫ টাকা । রাম মালার সামন থেকে অটো রিজাভ নিয়ে চলে যাবেন বাদুর তলা । আমরা তিনজন ছিলাম । ভাড়া পার পারসন ১২ টাকা করে পরছে ।
ধর্ম সাগর যাবার পথে দেখতে থাকুন রাতের কুমিল্লা শহর । লাল নীল আলোয় সজ্জিত ধর্ম সাগর পাড়ে কিছুক্ষন বসে থাকার পর আপনার মনে হবে মাতৃ ভাণ্ডারের রস মালাইয়ের কথা ।
রস মালাইয়ে যত গুলো না রস মুঞ্জুরি আছে তার থেকে বেশি মাতৃ ভাণ্ডার আছে কুমিল্লায় । আসল মাতৃ ভাণ্ডারে যেতে হবে মনোহরপুরের শ্রী শ্রী রাজ রাজ্যেশ্বরী কালী মন্দিরের সামনে। এখানেই আসল মাতৃ ভাণ্ডার । ভীড় দেখলেই বুজবেন । ভাড়া ১০ টাকা অটো । বা ১৫ থেকে ২০ টাকা রিকশা ভাড়া নিবে ।
রস মালাই খাওয়া শেষ হলে কান্দি পাড় এ চলে আসুন । হেটেই আসা যায় । এখানে পাবেন আঠারো সালের একটি ভবন । যেটি এখন পূবালী ব্যাংক এর অফিস হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে ।
আপনার একদিনে কুমিল্লায় সব কিছু দেখা শেষ । এবার কান্দি পাড় থেকে চলে আসুন ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোডে । ভাড়া ২৫ টাকা ।
এখন কিছু তেলেস মতি দেখাতে হবে । শেখ শাদী সাহেবের কথা মাথায় রাখুন । ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোডে এসে নিজেকে পরিপাটি করে ফেলুন । এবার ঢাকা গামী হানিফ বা শ্যামলী বা ভালো মানের বাসের জন্য অপেক্ষা করুন । কিছুক্ষন নাচা নাচি করলেই পেয়ে যাবেন । ভাড়া নিবে ১০০ টাকা ।
সায়দাবাদে নেমে নিজের বাড়ির পথে হাটুন । আমার ধানমন্ডি আসতে লেগেছে ২৫ টাকা ।
=======================
দেখার জায়গাঃ

মোট দেখার জায়গা ১১ টি ( Maynamati War Cemetery, রানী ময়না মতির প্রাসাদ , ময়নামতি সেনা নিবাস , বার্ড , নীলাচল পাহাড় , শালবন , বৌদ্ধ মন্দির , শালবন বিহার , ধর্ম সাগর , পুরাতন পূবালী ব্যাংক ভবন, মাতৃ ভাণ্ডার )
=======================
মোট খরচ = ৪৯৭ টাকা (পার পারসন)
মেয়েরাও ইচ্ছে করলে গ্রুপে একদিনে কুমিল্লা ট্যুর দিতে পারেন । সে ক্ষেত্রে ঢাকা ফেরার জন্য কান্দির পাড় থেকে শাসন গাছা বাস স্টান আসতে হবে । ভাড়া ১৫ টাকা । এখানে সব ঢাকা গামী গাড়ী পাবেন । ভাড়া ১৫০ থেকে ২০০ টাকা নিবে । আমাদের আডভ্যঞ্চার আর বাজেট কমানোর প্লান ছিল তাই ক্যান্টনমেন্ট বিশ্ব রোড হয়ে ঢাকা আসছি । এক্ষেত্রে আপনাদের খরচ পরবে ৫০ টাকা বেশী ।
আমরা পাব্লিক ট্রাস্নপোরট ব্যাবহার করছি । তাই হাতে সময় কম ছিল। রুপবান মুড়া এবং ইটাখোলা মুড়া, রুপসাগর পার্ক এই তিনটা জায়গা মিস গেছে । যারা পার্সোনাল কার কিংবা সময় নিয়ে ঘুরবেন তারা এই তিনটে জায়গাও যেতে পারেন
সঠিক প্লান আর ইচ্ছে শক্তি থাকলে ভ্রমণের খরছ অনেক কমে যায় । ভ্রমণের সময় GPS ব্যাবহার করুন। সেটি না থাকেলে মোবাইলের Google MAP এর সাহায্য নিন । রিকশাওলাকে কাছে ভাড়া জানতে চাইবেন না । আশে পাশের ভদ্র গোছের বয়স্ক দোকানদার বা পুলিশ সাথে কথা বলুন । এরা আপনাকে কখনোই ভুল ঠিকানা দেবে না । আর কথা শেষে তাদের ছোট একটা ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না :) । ভ্রমণের সময় দামী খাবারের হোটেল পরিহার করুন । আমার মতে রাস্তার পাশের সস্তার পরিস্কার পরিচ্ছন হোটেল গুলোতেই যে কোন এলাকার আঞ্চলিক খাবারের সাধ পাওয়া যায় :)
আমি আগে কখনোই কুমিল্লা যাইনি । পুরো ভ্রমণটা  বিভিন্ন লিখার উপর ভিক্তি করেই সম্পন্ন করা হয় । কোথাও ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই.।

লেখকঃ রেজওয়ানুল কবীর


Friday, March 3, 2017

University of Chittagong

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

                                                                     শাটল ট্রেন

'বিশ্ববিদ্যালয়' শব্দটি শুনলে প্রথমে আমাদের মাথায় আসে মোটা মোটা কিছু বইয়ের ভিড়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়া কয়েকটি দালানের আত্মকাহিনী।যদি মাথা থেকে 'বিশ্ববিদ্যালয়'এর চিরাচরিত সংজ্ঞাটা মুছে ফেলতে চান তাহলে ঘুরে আসতে পারেন পাহাড়,ঝর্না মন্ডিত 'চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়'।১৭৫৪ একরের বিশ্ববিদ্যালয় টিতে কি নেই!!আছে পাহাড়,বিশাল মাঠ,নানা রকম জানা অজানা বৃক্ষরাজি আর চির যৌবনা ঝর্না।


যেভাবে যাবেন:
চট্টগ্রাম শহরের মুল প্রানকেন্দ্র নিউমার্কেট থেকে ৩ নং বাসে উঠলে আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেইট এ নামিয়ে দিবে।ভাড়া ২০ টাকা।সেখান থেকে লোকাল সি.এন.জি এর মাধ্যমে জিরো পয়েন্ট পৌছবেন,ভাড়া ৬ টাকা।
আর আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনের স্বাদ নিতে নিতে যেতে চান,তাহলে আপনাকে ভার্সিটি 'শাটল ট্রেনে' স্বাগতম।ট্রেনে উঠতে হলে আপনাকে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে আসতে হবে।শাটল ট্রেন ছাড়ে সাধারনত ১ এবং ২ নং প্লাটফরম থেকে।ট্রেনে চড়তে কোন ভাড়া লাগে না।ট্রেনের সময়সুচী:সকাল ৭:৩০,৮:০০,৯:৪৫,১০:৩০­,১:১৫.



 ট্রেনে গেলে আপনাকে জিরো পয়েন্ট নামিয়ে দিবে,বাসে গেলে যেখানে আপনাক  আবার সি.এন.জি করে জিরো পয়েন্ট আসতে হবে।জিরো পয়েন্ট হল চার রাস্তার মোড়।আপনি যে রাস্তা দিয়ে ভার্সিটি ঢুকবেন,সেখান থেকে নাক বরাবর সোজা গেলে আপনি মেইন ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারবেন।আর বাম দিকের রাস্তা বরাবর গেলে পাবেন 'ফরেস্ট্রি ফ্যাকাল্টি' আর 'বোটানিকাল গার্ডেন'।আর ডান দিকের পথ ধরে এগুলে দেখবেন শাহজালাল হল,শাহ আমানত হল,সোহওয়ারদী হল,এফ রহমান হল,সেন্ট্রাল মসজিদ,বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ,এশিয়া বিখ্যাত 'ল ফ্যাকাল্টি' আর সুবিশাল খেলার মাঠ।
 প্রথমে জিরো পয়েন্ট থেকে নাক বরাবর সোজা পথটা দিয়ে হাটতে থাকুন।দুই পাহাড়ের মাঝখানে কাটা পথ দিয়ে হাটতে হাটতে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।১৫/২০ মিনিট হাটলে প্রথম পড়বে বি.বি.এ. ফ্যাকাল্টি।এর একটু সামনেই চবির স্মৃতিসৌধ।

                                                                        স্মৃতিসৌধ

একটু সামনে এগুলে আইটি ফ্যাকাল্টি পাবেন।আইটি ফ্যাকাল্টির সামনে অবস্থিত কলা ফ্যাকাল্টি।কলা ফ্যাকাল্টি র পাশে চবির প্রশাসনিক ভবন।সামনে এগুতে থাকতে আরো পাবেন সায়েন্স ফ্যাকাল্টি, বায়োলজিক্যাল ফ্যাকাল্টি আর মেরিন সায়েনশ ফ্যাকাল্টি। সাথে বন্ধুবান্ধব নিয়ে গেলে বায়োলজিক্যাল ফ্যাকাল্টির পিছনের পাহাড় টা ঘুরে আসতে পারেন।আশা করি মন্দ লাগবে না। সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবার টা কলা ফ্যাকাল্টি সংলগ্ন 'কলা ঝুপড়ি' তে করতে পারেন।কম টাকায় পেট পুজাটা ভাল মতই করে নিতে পারবেন।কলা ঝুপড়ি পিছনে আছে ছোট আকৃতির তবে চমকপ্রদ ঝর্না।সাতার না জানলে ঝর্নায় গোসল করতে নামা ঠিক হবে না।ঝর্নাটা খুব গভীর।সব ঘুরা শেষ হয়ে গেলে লোকাল সি.এন.জি. জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া করে ল ফ্যাকাল্টি চলে যান।এশিয়ার বিখ্যাত এবং আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ল ফ্যাকাল্টি অবস্থান আপনার মন ভরিয়ে দেবে।

                                                      এশিয়া বিখ্যাত  ল ফ্যাকাল্টি


 বাড়তি হিসেবে দেখে আসতে পারেন ল ফ্যকাল্টি কাছেই অবস্থিত প্যাগোডা আর সুইস গেইট।হাতে সময় থাকলে হেটে হেটে জিরো পয়েন্টের দিকে যেতে পারেন,তাহলে ছেলেদের হল আর সেন্ট্রাল মসজিদ টাও দেখা হয়ে যাবে।শেষ বিকাল টা কাটাতে পারেন ফরেস্ট্রি ফ্যাকাল্টি আর বোটানিক্যাল গার্ডেনে।চবির সবচেয়ে শান্ত ও শান্তির জায়গা।পরিবেশ টা এমন মনোরম যে আপনাকে সবুজে নিজেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও হারিয়ে ফেলতে বাধ্য।বোটানিকাল গার্ডেন ঘুরা শেষ হলে লোকাল সি.এন.জি নিয়ে চলে আসুন জিরো পয়েন্ট।পাশেই চবির রেলস্টেশন।
চবি থেকে শহরে আসার ট্রেনের সময় সুচী:১:৩০,২:৩০,৪:০০,­৫:৩০,৯:৩০
 আর বাসে যেতে চাইলে সি.এন.জি ধরে ১ নং গেইট আর সেখান থেকে শহরমুখী বাস।
কম বাজেটে ভাল কিছু ঘুরতে চলে আসতে পারেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

খরচঃ  
যাতায়াত-সবমিলিয়ে ১০০ টাকা
সকালের নাস্তা-৩০ টাকা
দুপুরের খাবার-৫০/৭০ টাকা
মোট-২০০ টাকা

লেখকঃস্বরুপ ভৌমিক অন্তু